দূর্নিবার ঘূর্ণি
ও অতিকায় অগ্নি,
সন্নিযোগে রূপ তার মহা প্রলয়ংকারী
প্রবলবেগে ধেয়ে চলে বহ্নি তরঙ্গিনী,
এক অনিশ্চিত ঠিকানায় –
এক বিনাশকারী তাণ্ডবলীলায় –
একরাশ ক্রোধের সমারোহ সমীরণে।
আজ জীব, উদ্ভিদ, পক্ষীকূল নির্বিশেষে
অগ্নিস্ফুলিঙ্গে দগ্ধ ভস্মে,
অদূরে মেঘরাজও নিশ্চুপ ও নিস্তব্ধে
বহ্নিনৃত্য দেখে শূন্য দৃষ্টিতে।
ধরার এই ক্রোধের উৎপত্তি কি একদিনে?
নাকি শত শত বছরের অবহেলার পরিণামে?
দূষণের উপর দূষণের স্তূপ ধরার বুকে,
তারই আর্তনাদ আজ হিংস্র অগ্নিরূপে।
ক্রোধ শান্ত হলেও চারিদিকে ছেয়ে গেছে অশান্তি,
ধরণীকে অশান্ত করে কে পেয়েছে কবে শান্তি?
~ যারিন সুবাহ্
১লা এপ্রিল, ২০২৫।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান